ডর্টমুন্ডের বিশাল শূন্যতার জলায় এদিক সেদিক মুক্ত বলাকার ওড়াওড়িতে উভচড়ীয় মুগ্ধতা। দিগন্তরেখায় বিলীন উদ্দামতার না পাওয়ার হাহাকার। যতনে জাগিয়ে দেয় আদিমতা এক সুদূরের কল্পনায়। মনের বাগান জুড়ে এক ঘন কুয়াশা যেন এক সদ্যস্নাত কুমারী, অসূর্যস্পর্শা। যতনে রক্ষায় মত্ত তার সমস্ত লুকোনো সম্পদ। কিছুটা দূরে কালো এক ছোপ তারপর আরেকটি, পরেরটি যেন লজ্জাশীলার আরাধ্য সেই কাঙ্খিত ওষ্ঠের তিল। যেখানে কৈশরীয় কল্পনায় প্রগাঢ় চুমু খাওয়া শত শতবার, সহস্রবার, হাজারবার। অলক্ষে ছিল প্রয়াস, এক ঝটকায় কাছে পাবার। ফ্রয়েডীয় উন্মত্ততায় সারাক্ষনের ছটফট চাতকীর তৃষ্ণার ন্যায়, এক ঝলকের মোৎসার্ট বিটোফেনের সিম্ফনীর চেয়েও অলিন্দজুড়ে গভীর এক শিহরন। ছিল চোরা অবলোকন, মনের সেলুলয়েডে হুবহু রক্ষন, যেমন: এক পাকা শিকারী তার আরাধ্য শিকারের উপর। ঘুম পালানো দেবী দর্শন। অলক্ষে সিক্ত চুলে ঘ্রানের ব্যাকুলতায় শারীরিক বায়োস্কোপ দেখার হার না মানা পণ। মাঝে মাঝে ঘন শ্বাসের ওঠানামার সাথে আচানক আড়মোড়ার ভাব, সবই গোগ্রাসে গেলা। কুয়াশার মাঝেই পর্তুগীজ নাবিক হওয়া ঢেউয়ের সাথে হারিয়ে যেতে চাওয়া- ভাঁজের খাঁজে খাঁজে রহস্য খোঁজা, আর পুলকিত আবেশে আবেশিত হওয়া, স্পন্দিত হওয়া, অবিশ্বাস্যতার বেগে যেন সব খুঁজে পাওয়া বা লুট করা বিজয়ী এক ঝড়ো কৃষ্ণের হাসিতে। অত:পর, হঠাৎ কবি হয়ে ওঠা। ধাপে ধাপে পাহাড়চূড়োর বিবরন, লবনজলের ঘনত্বের বিবরন আর বালুকাবেলায় গাঙচিলের হতাশার বিবরন। পরিশেষে: নদী সাগরের যৌথ মিলন। ক্ষনিকেই বাস্তবতার মিশেলে চলে আসা ও ধীরে ধীরে কুয়াশার ক্ষয়ে যাওয়া। ***** তারিখ:২২শে আশ্বিন,১৪১৮ মতিঝিল,ঢাকা।
অনেক সুন্দর একটা কবিতা । ভালো লাগলো ।
ধন্যবাদ, ভাল থাকুন সবসময়, এ কামনায়।
দারুন আর বিমুগ্ধতা কাবু করলো
শুভেচ্ছা মেবাই।
আপনাকে কাবু করেছে, হে হে তাহলে বুঝতে হবে সহজ কিছু নয়।
বিমুগ্ধতার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ, ভাল থঅকুন সবসময়, এ কামনায়।
িবশাল কিবতা,পড়ে ভাল লাগল। দঃকে জয় করাই সিত্য কারের মানুষের কাজ। ওটাকে জয় করুন। সব িঠক হয়ে যাবে। ধন্যবাদ
এটা ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে স্মৃতিচারন, কোন গভীর দু:খবোধ নেই।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, ভাল থাকুন সবময়, এ কামনায়।
valo laglo. 5 dilam
ইইই আমার কাছে এই কবিতা কঠিন লাগল কেন?